৭ গোলের ম্যাচে লড়াই করে হার, কার ভুলে জিততে পারলেন না হামজারা?



শেষ মুহূর্তের পরাজয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ফাহামিদুল-হামজারা..!!!😢


না রে ভাই; এগুলা মর্মান্তিক! ৯০+৯ মিনিটে ইকুয়ালাইজার দিয়ে ম্যাচ হারতে হবে? এটা বিশ্বাসযোগ্য? 

ফুটবল খেলাটা আসলে এমন একটা খেলা, ৯০টা মিনিটে টেনশনে থাকতে হয় ফ্যানদের। কেন জানি এই টেনশনের খেলায় বারবার ওই হেরে যাওয়া পার্টিতেই থাকি, এক ২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনাল বাদে টেনশন মোমেন্ট জয় করে ফেলেছি, এমন ম্যাচ আমার খুব কম দেখা। মানে ৯৯ মিনিটে ৩-৩ এর পর হারতে হবে? শমিত শোমের গোলের পর যেভাবে উল্লাস শুরু হয়েছিল, ভাবলাম শেষ বাঁশি তো এখনই। ধারাভাষ্যকার রিফাত মাসুদ বলছিলেন, এই ম্যাচ বাংলাদেশের হারার নয়! তখনই বলে উঠলেন অবিশ্বাস্য! কি হলো বুঝতে না বুঝতে চার গোল হজম, দেখি হংকং উদযাপন করছে!

হামজার চেহারার দিকে তাকানো যাচ্ছিলো না, এখানে ড্র-ও একটা দারুণ রেজাল্ট হতো; অন্তত ১টা পয়েন্ট পাওয়াও হতো হংকংকে রুখে দেওয়াও হতো। এই লাস্ট মিনিট হার্টব্রেক গুলা খুবই মর্মান্তিক। আজকে তো লাস্ট মিনিট হার্টব্রেক দুইটা হলো! হাফটাইমে একটা, ফুলটাইমে একটা।

ওয়েলডান হামজা, শমিত, মোরসালিন। ১৪ তারিখ একই প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করবে বাংলাদেশ এওয়েতে, শুভকামনা। 🙂 

No comments

Powered by Blogger.