পিএসএলের ফাইনালে ১৯ বছরের সব ইতিহাস ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন নাহিদ রানা

 


লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে এদিন টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমেছিল হায়দরাবাদ। ওপেনার মাজ সাদাকাত এবং অধিনায়ক মারনাস লাবুশেন মিলে ওপেনিং জুটিতে তোলেন ১৬ রান। ৬ বলে ১১ রান করে বিদায় নেন মাজ। আরেক ওপেনার লাবুশেন সাজঘরে ফিরে যান দলের ৫১ রানের মাথাতে। ১২ বলে ২০ রানের ইনিংস খেলেছেন অধিনায়ক।




ইনিংসের ৬ষ্ঠ ওভারে বোলিংয়ে আসেন নাহিদ রানা। সেই ওভারে উইকেট পাননি তিনি। দিয়েছেন ১৩ রান। তবুও অধিনায়ক বাবর আজম বারবার আস্থা রেখেছেন রানার উপর। ৮ম ওভারে আবারও বল হাতে নেন রানা। এবার দিয়েছেন মাত্র ৫ রান। সাথে নিয়েছেন উইকেট। সাজঘরে পাঠিয়েছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে, অজি তারকা মেরেছেন গোল্ডেন ডাক। সেই একই ওভারে রান আউট হয়ে সাজঘরে ফিরে যান কুশল পেরেরা। নাহিদ রানা তাকে বাধা দিয়েছেন দাবি করলেও সেই দাবি পাত্তা পায়নি, আউটই হয়েছেন পেরেরা।




১৪তম ওভারে বোলিংয়ে ফিরলেন রানা। এবার যেন আরও বেশি অনবদ্য। উইকেট মেইডেন ওভারে সাজঘরে ফিরিয়ে দেন হুনাইন শাহকে। ৩ ওভারে ১৮ রান খরচায় উইকেট নেন ২টি।




এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলতে থাকা সাইম আইয়ুব তুলে ফেলেন ফিফটি। বাকিরা কেউ আহামরি রান পাননি। ১৭তম ওভারে বোলিংয়ে ফেরেন রানা। ওভারের প্রথম বলেই সাইমকে এলবিডব্লিউ করেছিলেন। তবে রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান সাইম। সেই ওভারে ৪ রান দেন রানা। উইকেট মেলেনি। ৪ ওভারে ১ মেইডেনের সাথে ২২ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়ে নিজের বোলিং কোটা শেষ করেন রানা। ১৮ ওভারে ১২৯ রান তুলে অলআউট হয়েছে হায়দরাবাদ কিংসমেন। শেষের আগের ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়া সাইম খেলেছেন ৫০ বলে ৫৪ রানের ইনিংস। রানরেট ক্যালকুলেটর




পেশোয়ারের হয়ে ৪ উইকেট নেন অ্যারন হার্ডি। ২ উইকেট তোলেন নাহিদ রানা। ১টি করে উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ বাসিত এবং সুফিয়ান মুকীম। 




No comments

Powered by Blogger.