৯ মিনিটের পরেও অতিরিক্ত ২ মিনিট অ্যাডেড টাইম! হংকংয়ের করা গোলটি বৈধ ছিল কিনা? যা বলছে ফিফার নিয়ম



ফুটবল যে কতটা নিষ্ঠুর খেলা হতে পারে, তার জ্বলন্ত প্রমাণ দেখা গেল আজকের ম্যাচে। ৯০+৯ মিনিটে ইকুয়ালাইজার, আর মাত্র দুই মিনিট পরেই ৯০+১১-তে গোল খেয়ে হার—বাংলাদেশ সার্ভাইভ করতে পারল না শেষ দুই মিনিটও। এত কিছুর পরেও, এত লড়াইয়ের পরেও, শেষটা কান্নায় শেষ হলো।


৯ মিনিট যোগ হওয়া অতিরিক্ত সময়ের পর হংকং চায়নার গোলটি বৈধই ছিল—ফিফার নিয়ম তাই বলে। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, এমন নাটকীয় মুহূর্তে হার মেনে নেওয়া কতটা সহজ?


ম্যাচজুড়ে লড়াই করেছে বাংলাদেশ। শমিত শোমের দারুণ গোলের পর উল্লাসে ভাসছিল দর্শক আর খেলোয়াড়রা। ধারাভাষ্যকার রিফাত মাসুদ তখনই বলেছিলেন, “এই ম্যাচ বাংলাদেশের হারার নয়!”—কিন্তু কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সব বদলে গেল। এক পলকে চার গোলের জবাব দিতে হলো, আর মাঠজুড়ে ছড়িয়ে পড়ল নিস্তব্ধতা।


হামজা চৌধুরীর মুখে ছিল হতাশার ছাপ, চোখে অপূর্ণতার যন্ত্রণা। ম্যাচটি ড্র হলেও দারুণ এক ফলাফল হতে পারত বাংলাদেশের জন্য—একটা মূল্যবান পয়েন্ট, আত্মবিশ্বাস, আর গর্বের অনুভূতি। কিন্তু ভাগ্য যেন আবারও মুখ ফিরিয়ে নিল।


তবুও সম্মান প্রাপ্য—হামজা, শমিত ও মোরসালিনের। তাঁরা লড়েছেন, বিশ্বাস রেখেছেন, আশার আলো জ্বেলে রেখেছেন।


১৪ অক্টোবর একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ফিরতি ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। সমর্থকদের একটাই চাওয়া—এই কান্নার বদলে এবার যেন আসে হাসি।

No comments

Powered by Blogger.